বিভাগ

রওজাতুল আতফাল (শিশু শ্রেণি)

মেয়াদ
১ বছর
আসন সংখ্যা
২০ জন (প্রতি শাখায়)
শিক্ষার্থীর স্তর
সাড়ে চার-পাঁচ বছর

ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্যাদি:

১) ভর্তির শ্রেণি: রওজাতুল আতফাল/শিশু শ্রেণি, নূরানী/১ম শ্রেণি, নাজেরা/২য় শ্রেণি, হিফজ/তৃতীয় –পঞ্চম শ্রেণি।

২) ভর্তির সময়: ১ নভেম্বর হতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং ১৫ শাবান হতে ১০ শাওয়াল পর্যন্ত।

৩) ভর্তি মূল্যায়ন: নির্ধারিত শ্রেণিতে ভর্তির পূর্বে শিক্ষার্থীর মেধা ও যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়া হবে। এতে উত্তীর্ণ হলে ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে।

৪) প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: মাদরাসা কার্যালয় হতে অথবা অনলাইন নির্ধারিত মূল্যে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি পূরণ করতে হবে। পূরণকৃত ভর্তি ফরমের সাথে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

  • শিক্ষার্থীর সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ও ২ কপি স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি।
  • শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনের সত্যায়িত কপি।
  • শিক্ষার্থীর অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি রঙিন ছবি।
  • শিক্ষার্থীকে মাদরাসায় পৌঁছানো ও গ্রহণকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি রঙিন ছবি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র/প্রশংসাপত্রের কপি। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

ভর্তি ফি সংক্রান্ত তথ্য: সরাসরি মেইল অথবা হোয়টসএ্যাপ এ যোগাযোগ করার জন্য অন্ররোধ করা হলো।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে কিছু পরামর্শ:

(১) সন্তান খোদা প্রদত্ত এক মহান নিয়ামত, মূল্যবান আমানত এবং কঠিন পরীক্ষার বিষয়। এই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়, আমানতের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা পিতা-মাতার প্রধান দায়িত্ব।

(২) এই দায়িত্ব পালনের প্রথম ধাপ হলো, সন্তানকে পূর্ণ ঈমানদার ও আল্লাহর ফরমাবরদার বান্দা হিসেবে গড়ে তোলা। শৈশব থেকেই কথা-বার্তায়, আচার-আচরণে, খেলাচ্ছলে তার কোমল হৃদয়ে তাওহীদ ও রিসালাতের বীজ বপন করে দেওয়ার ব্যাপারে সবসময় পিত-মাতাকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

(৩) সন্তানকে প্রকৃত মু'মিন ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সকল প্রচেষ্টা একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছাতেই সফল হবে। তাই পিতা-মাতার প্রধান হাতিয়ার হবে আল্লাহর কাছে সন্তানের জন্য দু'আ করা।

(৪) ঘর ও পারিবারিক পরিবেশকে সন্তানের তা'লীম ও তারবিয়াতের (শিক্ষা-দীক্ষা) অনুকূল বানানো অত্যন্ত জরুরি। সন্তানের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল না হলে তার ব্যাপারে আমাদের মেহনত আশানুরূপ ফলাফল আনবে না।

(৫) সন্তান তার প্রতিষ্ঠান, উস্তায ও পাঠ্যবই থেকে শেখার আগে মাতা-পিতার কাছ থেকে চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন করে। তাই সন্তান চরিত্রবান হওয়ার পূর্বশর্ত হলো মাতা-পিতা আদর্শবান ও চরিত্রবান হওয়া। বিশেষ করে উপার্জন হালাল হওয়া এবং পর্দাহীনতা, মিথ্যা ও অশালীন কথা-বার্তা পরিহার করা অত্যন্ত জরুরি।

(৬) তা'লীম ও তারবিয়াতের ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শ হলো আদর, ভালোবাসা ও উৎসাহ প্রদান। তাই সন্তানের তা'লীম ও তারবিয়াতের ক্ষেত্রে রুক্ষতা পরিহার করা এবং শাসনে পরিমিতিবোধ একান্ত প্রয়োজন।

Follow us on Facebook