(আরবি ও জেনারেল কারিকুলাম সমন্বয়ে আধুনিক মাদরাসা)
Administration & Management

হযরত মাওলানা সাঈদুর রহমান দা.বা.

Hazrat Mawlana Sayedur Rahman D.B.

নারী শিক্ষায় সহীহ দ্বীনি তরবিয়াত ও সুন্নাহভিত্তিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে একটি আলোকিত ও তাকওয়াবান প্রজন্ম গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

প্রধান উপদেষ্টা ও পরিচালক

পরিচিতি ও বংশীয় ঐতিহ্য

বাংলার ইসলামী শিক্ষাঙ্গনের অন্যতম বিশিষ্ট আলেম, উপমহাদেশের সুপরিচিত দ্বীনী ব্যক্তিত্ব এবং কওমী শিক্ষাব্যবস্থার একজন গুরুত্বপূর্ণ ধারক ও বাহক হলেন হযরত মাওলানা সাঈদুর রহমান দা.বা.। তিনি প্রখ্যাত বুযুর্গ আলেম ও সুফি ব্যক্তিত্ব হযরত মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী (রহ.) — যিনি “হাফেজ্জী হুজুর” নামে সুপরিচিত — এর বড় কন্যার সুযোগ্য পুত্র।

পারিবারিক ঐতিহ্য, শৈশব থেকেই গভীর ইলমি পরিবেশ এবং বুযুর্গদের সোহবতে বেড়ে ওঠার কারণে তাঁর জীবনাচরণে প্রজ্ঞা, আধ্যাত্মিক সাধনা ও দ্বীনের প্রতি একনিষ্ঠ আত্মনিবেদন প্রস্ফুটিত হয়েছে। তিনি দেশজুড়ে একজন শ্রদ্ধাভাজন আলেম ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে সুপরিচিত।

শিক্ষাজীবন ও বিশেষ সনদ (ইজাযাহ)

তিনি শৈশব থেকেই হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর সরাসরি স্নেহচ্ছায়ায় ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে দ্বীনী শিক্ষার সূচনা করেন। পরবর্তীতে হযরত হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) প্রতিষ্ঠিত দেশের শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া আশরাফাবাদ, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা থেকে কুরআন, হাদিস, ফিকহসহ ইসলামী শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর কৃতিত্বের সাথে সম্পন্ন করেন।

উচ্চতর জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করেন। সৌদি আরবে অবস্থানকালে তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে সাহাবায়ে কেরামের অবিচ্ছিন্ন ধারাবাহিক সূত্রে একজন শীর্ষস্থানীয় স্বীকৃত উস্তাদের নিকট পবিত্র কুরআন হিফজের পূর্ণাঙ্গ সবক শুনিয়ে বিশেষ সনদ (ইজাযাহ) লাভ করেন — যা সমকালীন বাংলাদেশের অতি অল্পসংখ্যক আলেমের অর্জনের সৌভাগ্য হয়েছে।

আল-ঈমান গার্লস মাদরাসায় দিকনির্দেশনা ও অবদান

আল-ঈমান গার্লস মাদরাসা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উপদেষ্টা ও পরিচালক হিসেবে সার্বিক দিকনির্দেশনা, শিক্ষা কারিকুলাম উন্নয়ন ও আধ্যাত্মিক তত্ত্বাবধান প্রদান করে আসছেন। নারী শিক্ষায় পূর্ণাঙ্গ পর্দা, সহীহ দ্বীনি তরবিয়াত ও সুন্নাহর সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে তাঁর দূরদর্শী পরামর্শ প্রতিষ্ঠানকে একটি অনন্য আদর্শ রূপ দিয়েছে।

তিনি নিয়মিতভাবে মাদরাসার শিক্ষিকামণ্ডলী ও পরিচালনা পর্ষদকে দিকনির্দেশনা দেন, যাতে প্রতিটি ছাত্রী শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদই নয়, বরং আমল-আখলাক ও তাকওয়ায় সমৃদ্ধ একজন আদর্শ মুসলিম নারী হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

Follow us on Facebook Chat on WhatsApp